২৯শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| ১৩ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৪শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি| ভোর ৫:৪৮| শীতকাল|
সর্বশেষ
কুমিল্লা-১০ আসনে ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনের মনোনয়ন বৈধ, বাতিল ২ লালমাইয়ে রাতের আঁধারে দুঃস্থদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন ইউএনও  লালমাইয়ে ১৫৫ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি আটক  লালমাই পাহাড়ের কোল ঘেঁষে দেশের প্রথম স্বয়ংক্রিয় পেট্রোলিয়াম ডিপো উদ্বোধন  ওসমান হাদির উপর হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ উন্নয়ন পরিষদের নিন্দা ও বিচার দাবি  লালমাইয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত  লালমাই থানায় নবাগত ওসি নুরুজ্জামানের যোগদান  ৮৬ বছর পর ব্যক্তিগত উদ্যোগে নির্মিত হলো ভাবকপাড়া প্রাইমারি স্কুলের গেইট  লালমাইয়ে ইউনাইটেড ইসলামিক স্কুল এন্ড মাদ্রাসা চালু লালমাইয়ে বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা 

লালমাইয়ে ইটভাটায় জরিমানা, ভাংচুরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, মার্চ ৪, ২০২৫,
  • 170 Time View
Oplus_131072

গাজী মামুন, লালমাই।।

কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় ইটভাটায় মোবাইল কোট, জরিমানা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় বরাবর স্মারকলিপি প্রদান ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতি লালমাই উপজেলা শাখা। মঙ্গলবার (৪ মার্চ) সকাল ১১টায় উপজেলা চত্বরে বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিমাদ্রী খীসা’র নিকট স্মারকলিপি তুলে দেন তারা।

বিক্ষোভ সমাবেশে লালমাই উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির পক্ষে বাগমারাস্থ এ.কে ব্রিকসের স্বত্বাধিকারী আবুল কাশেম চেয়ারম্যান বলেন, আমরা সরকারের সকল নিয়ম মেনেই ইটভাটা তৈরি করেছি এবং আমাদের লাইসেন্স দেয়া হয়েছিল। ২০০৬ বা ২০০৭ সালের দিকে তৎকালীন সরকারের নির্দেশনা মেনে টিনের চিমনি পরিবর্তন করে প্রায় ৪০/৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে আমরা ১২০ ফিট উচ্চতার পাকা ফিক্সড চিমনি নির্মাণ করি। ২০১৩ সালে পুনরায় সরকারের নির্দেশে প্রায় ৬০/৭০ লাখ টাকা ব্যয় করে জিগজাগ ভাটা তৈরি করি। বর্তমানে জিগজাগ ভাটার মাধ্যমে আমাদের ইটভাটার কার্যক্রম চলছে। এরই মধ্যে হঠাৎ যদি ইটভাটাগুলো বন্ধ হয়ে যায় তাহলে প্রতিটি ইটভাটার সাথে জড়িত ৫ শতাধিক শ্রমিক কর্মসংস্থান হারাবে। আমরাও চাই পরিবেশ রক্ষায় জিগজাগ ব্যতীত যত ইটভাটা আছে সবগুলো সরকার বন্ধ করে দিক। আর জিগজাগ ইটভাটাগুলোও চলমান থাকলে যদি পরিবেশের ক্ষতি হয়, অথবা দেশ ও জাতির স্বার্থে যদি বন্ধ করে দিতে হয় তাহলে আমাদের সাথে আলাপ আলোচনা করে, একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দিয়ে, সরকার বিকল্প কোনো ব্যবস্থা করে দিলে (যেমন- ব্লক ইট) আমরা মেনে নিবো। প্রতি বছর সরকার চাইলে ১০% করে পোড়া ইট কমিয়ে ব্লক চালু করেও বিষয়টি সমাধান করতে পারে। দেশ কিংবা দেশের মানুষের ক্ষতি হউক এটা আমরাও চাই না। যেহেতু সরকারের অনুমতি নিয়ে আমরা ইটভাটাগুলো নির্মাণ করে ফেলেছি সেহেতু আমাদের সাথে পরিকল্পনা মাফিক যৌক্তিক কিছু সময় দিয়ে এগুলো অপসারণ করে পরিবেশবান্ধব যেভাবে হয়, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে সেভাবে করা হলে আমাদের আপত্তি থাকবে না।

এ বিষয়ে লালমাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিমাদ্রী খীসা বলেন, ইটভাটা মালিক সমিতির পক্ষে কয়েকজন এসে স্মারকলিপি দিয়েছেন। লিপিটি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হবে।

বিক্ষোভে অংশ নেন এম.এ ব্রিকসের স্বত্বাধিকারী ফরিদ মিয়া, এমরান ব্রিকসের স্বত্বাধিকারী শিপন,  ইউনাইটেড ব্রিকসের স্বত্বাধিকারী বোরহান উদ্দিন সহ ইটভাটার পুরুষ ও নারী শ্রমিকরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category