
গাজী মামুন, লালমাই।। কুমিল্লা-১০ (লালমাই-নাঙ্গলকোট) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত বলেছেন, “আমি এমপি নির্বাচিত হলে লালমাই ও নাঙ্গলকোটে শালিস-দরবার, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি এবং প্রতিহিংসার রাজনীতির কবর রচনা করবো। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন একদলের পরিবর্তে আরেকদল ক্ষমতায় আসার নির্বাচন নয় বরং কোন নীতি এবং আদর্শের ভিত্তিতে আগামীর রাষ্ট্র পরিচালিত হবে তা নির্ধারণ হওয়ার নির্বাচন। দেশ স্বাধীন হলেও বিগত ৫৪ বছরে আমরা স্বাধীনতা ভোগ করতে পারিনি। বাক স্বাধীনতা কাগজে-কলমে থাকলেও কথা বলতে পারিনি। সংবিধানে ধর্মীয় স্বাধীনতা লেখা থাকলেও বিগত সময়ে ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব করা হয়েছে। আগামী নির্বাচন শুধু একটি ব্যালট এবং দুটি সীলের নির্বাচন নয়। আগামীর প্রজন্ম কোন দিকে যাবে, কোন পথে চলবে, সেই নীতি নির্ধারণের নির্বাচন। আপনারা যদি সন্তানদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে চান তাহলে ১২ ফেব্রুয়ারি হ্যাঁ এবং ন্যায় ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন।”
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লা লালমাই উপজেলার আটিটি বাজার সংলগ্ন মাঠে পেরুল উত্তর ও দক্ষিণ ইউনিয়নের উদ্যোগে নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রতিপক্ষ দলের নেতাকর্মীদের আশ্বস্ত করে তিনি আরো বলেন, “আমি নির্বাচিত হলে প্রতিপক্ষ যেই দলেরই হোক কোনো লোককে পালিয়ে বেড়াতে হবে না। নিজ ঘরে নিরাপদে ঘুমাতে এবং নিশ্চিন্তে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবে। এখানে পারস্পরিক সৌহার্দ্যের রাজনীতির প্রচলন করবো। যারা ব্যানার ফেস্টুন ছিঁড়ছেন তাদেরকে ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনে ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে জবাব দেওয়া হবে।”
পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হায়াতুন নবীর সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন লালমাই উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী ইমাম হোসাইন, উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির সরওয়ার কামাল, সাবেক আমির এইচএম নুরুল্লাহ, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি মো. কামাল হোসেন, পেরুল উত্তর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির জাহাঙ্গীর আলম, সেক্রেটারী মীর হোসেন, বাইতুল মাল সম্পাদক হেলাল উদ্দিন সুমন শিকদার প্রমুখ।